"শাষক তুমি সাবধান! "

"শাষক তুমি সাবধান! "

"শাষক তুমি সাবধান! "



হতাশা দেখ নিয়েছে ছুটি, নিশ্চিত ঘুম দিচ্ছে ডাক
আত্মা ছাড়ছে নিরর্থ দেহ রূদ্ধ করে শ্বাস
তখনও আমি ডেকেছি তোমায়, ন্যায় । 

আরও একবার চিৎকার করে, আরও একবার গলা ফাটিয়ে সত্য বলে উঠবো, 
যখন সূর্য ভষ্মীভূত হবে আর ধূপ হবে ধোঁয়ায় বিলীন
তখনও অগ্নিগর্ভ পৃথিবী থেকে বর্ষা ধারার গান গাইবো। 
হে আমার দেশ, আমার পৃথিবী! ঐ বিলাস প্রিয়, কাঙাল ভক্ষক শাষকদের মধুবাণী যে, মৌচাক ছাড়ায় মাছি কে 

আর সূর্য ওঠায় নিজ কাঁধে, তা একদিন পোড়াবেই তাকে। 
মা' এর প্রেমে বাচাল প্রেমিক যতই দেখি এ বনে
সত্য আর অসহায়ের লাগি তাদের দেখিনি কোনো রণে। 
ঈশ্বর নাম জপে নি যে জন ঈশ্বরই পুষিছে তারে
ঈশ্বর নামে'নিরীহ নর' খাদক দক্ষ নরক অধিকারে। 

অসুখ ডেকেছে মহামারী এ দেশে জ্ঞানী গুণি বৃত্তশালী পেয়েছে ভয়
অজ্ঞ, অসহায় নেমেছে রাস্তায় ক্ষুধাকে করবে জয়। 
এ ভেদ মিটে যাবে একদিন পরম সত্য বিচার করবে অলীঙ্গন
উষ্ণ পৃথিবী শান্ত হবে আর মৃতরা হবে সঞ্জিবন। 

কবি :- জসীমউদ্দীন

Comments

Popular posts from this blog

"অর্থই যদি শ্রেষ্ঠ হয়" - জসীমউদ্দীন

আমরা সবসময় নিজেদের দু:খ টা কে বড় করে দেখি, আর আফসোস করে মরি।